মার্কিন প্রবাসীদের জন্য সুখবর, দূতাবাসের মাধ্যমে মিলছে এনআইডি

১৬ হাজারের বেশি আবেদন, অনুমোদন পেয়েছেন প্রায় ১১ হাজার প্রবাসী

ডেল্টা ভিসা

ডেল্টা ভিসা

প্রকাশিত: ১:০৯ অপরাহ্ণ, জুন ১৮, ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য সুখবর।  নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উদ্যোগে প্রায় ৬ হাজার প্রবাসীর হাতে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।  সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে এসব এনআইডি বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

ইসি’র এনআইডি শাখার তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র থেকে মোট ১৬ হাজার ৭১৫ জন বাংলাদেশি প্রবাসী জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য আবেদন করেছেন।  এর মধ্যে ১০ হাজার ৯৬৮ জনের আবেদন ইতোমধ্যে অনুমোদন পেয়েছে।  অনুমোদিত আবেদনকারীদের মধ্যে ৫ হাজার ৮০৭ জনের এনআইডি বর্তমানে প্রিন্টিং পর্যায়ে রয়েছে।

গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি, নিউইয়র্ক, ফ্লোরিডার মায়ামি এবং ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশ দূতাবাস ও কনস্যুলেটের মাধ্যমে ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি কার্যক্রম শুরু হয়।  এর আওতায় নিউইয়র্কে ৪ হাজার ১৭০ জন, ওয়াশিংটনে ৪৩০ জন, মায়ামিতে ৩৬৫ জন এবং লস অ্যাঞ্জেলেসে ৪৪২ জনের এনআইডি পাঠানো হচ্ছে।

বর্তমানে বিশ্বের ১৪টি দেশে ২৪টি স্টেশনের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।  এসব দেশের মধ্যে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, ইতালি, কুয়েত, কাতার, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, মালদ্বীপ, ওমান এবং দক্ষিণ আফ্রিকা।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের কাছ থেকে প্রায় এক লাখ আবেদন জমা পড়েছে।  এর মধ্যে প্রায় ২০ হাজার প্রবাসী ইতোমধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র পেয়েছেন।

বিদেশে বসে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদনকারীদের অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ, বৈধ বা মেয়াদোত্তীর্ণ বাংলাদেশি পাসপোর্ট, এনআইডিধারী তিন নাগরিকের প্রত্যয়ন, অনলাইন জন্মনিবন্ধন এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা দিতে হয়।  প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাগজপত্রও চাওয়া হতে পারে।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আবেদনকারীদের দেওয়া তথ্য সংশ্লিষ্ট উপজেলার মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হয়।  তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর আবেদন অনুমোদন করা হয় এবং দূতাবাসের মাধ্যমে এনআইডি সরবরাহ করা হয়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রবাসীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি শুধু তাদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করছে না, বরং দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তাদের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী করছে।  জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার মাধ্যমে প্রবাসীরা রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রেও বাড়তি সুবিধা পাবেন।