জার্মানিতে পড়াশোনা করতে ভিসা প্রস্তুতি যেভাবে করবেন
ডেল্টা ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭:২৫ অপরাহ্ণ, জুন ২০, ২০২৬
জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা থাকলেও যাদের এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ে চূড়ান্ত ভর্তি নিশ্চিত হয়নি, তাদের জন্য রয়েছে স্টুডেন্ট অ্যাপ্লিক্যান্ট ভিসা। এই ভিসার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জার্মানিতে গিয়ে ভর্তি পরীক্ষা, সাক্ষাৎকার, ভাষা কোর্স এবং অন্যান্য ভর্তি-সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেন। ভর্তি নিশ্চিত হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা পরবর্তী ধাপে আবাসিক অনুমতির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
ভিসা আবেদনের জন্য দুটি পূরণকৃত জাতীয় ভিসা ফরম এবং নির্ধারিত মান অনুযায়ী দুটি বায়োমেট্রিক ছবি জমা দিতে হবে। পাশাপাশি প্রমাণ করতে হবে যে আবেদনকারী জার্মানির কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির চেষ্টা করছেন। এর মধ্যে থাকতে পারে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার, আবেদন গ্রহণের প্রমাণ, সংরক্ষিত আসনের চিঠি, আবেদন জমার নিশ্চিতকরণ কিংবা অন্তত ১৮ ঘণ্টার ভাষা কোর্সে নিবন্ধনের প্রমাণ।
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ এবং ভাষা দক্ষতার প্রমাণ (জার্মান বা ইংরেজি)ও জমা দিতে হবে। তবে জার্মান কর্তৃপক্ষ সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণকে। আবেদনকারীকে দেখাতে হয় যে তিনি জার্মানিতে অবস্থানকালীন নিজের খরচ নিজেই বহন করতে পারবেন। এর জন্য সাম্প্রতিক তিন মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, বৃত্তির চিঠি বা ব্লকড অ্যাকাউন্টের প্রমাণ জমা দেওয়া যায়। এছাড়া স্পন্সরের দায়বদ্ধতার ঘোষণা বা অভিভাবকের আর্থিক সহায়তার কাগজও গ্রহণযোগ্য।
এছাড়া আবেদনের সঙ্গে জীবনবৃত্তান্ত, পূর্ববর্তী শিক্ষাগত সনদ ও ডিগ্রি, বৈধ স্বাস্থ্যবিমা, গত ১০ বছরের মধ্যে ইস্যুকৃত বৈধ পাসপোর্ট (অন্তত দুটি খালি পৃষ্ঠা ও মেয়াদ যথেষ্ট থাকতে হবে), আবাসনের প্রমাণ এবং ৭৫ ইউরো ভিসা ফি পরিশোধের রসিদ জমা দিতে হয়।
জার্মান কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হতে চায় যে বিদেশি শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়ে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভর না করে নিজেদের ব্যয় নিজেরাই বহন করতে পারবেন। সঠিক কাগজপত্র ও আর্থিক প্রস্তুতি থাকলে জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার পথ অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।



