নেপাল যেতে ইমিগ্রেশনে বাধার অভিযোগ, হাইকোর্টে তিন নারীর মামলা

ডেল্টা ডেস্ক

ডেল্টা ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫:১০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৫, ২০২৬

নেপাল ভ্রমণে যাওয়ার সময় তিন নারীকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশ আটকে দিয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে। তাদের একজনের করা মামলার পর বিষয়টি নিয়ে ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

‘Umed Ibneemostafa’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে দাবি করা হয়, রিফা, সোহানী ও নাজনীন নামের তিন নারী নেপাল ভ্রমণে যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরে গেলে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের আটকে দেয়। পোস্টে দাবি করা হয়েছে, তাঁদের কাছে ফেরার টিকিট, হোটেল বুকিংসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল।

ওই পোস্টে আরও বলা হয়, তিন নারীর পরিবারের সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করে তাঁদের ভ্রমণের বিষয়টি যাচাই করা হলেও শেষ পর্যন্ত তাঁদের নেপাল যেতে দেওয়া হয়নি। পরে তাঁরা ইমিগ্রেশন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেও প্রতিকার পাননি বলে পোস্টে দাবি করা হয়েছে।

পরে বিষয়টি নিয়ে তিন নারী হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন এবং ক্ষতিপূরণও দাবি করেন বলে ওই পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের অভিযোগের পর হাইকোর্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাঁদের আটকে দেওয়ার কারণ এবং অভিযোগ আমলে না নেওয়ার বিষয়ে জানতে চেয়েছেন বলেও পোস্টে দাবি করা হয়েছে।

তবে ফেসবুক পোস্টে তাঁদের অবিবাহিত হওয়ার কারণেই আটকে দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করা হলেও, এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা আদালতের আদেশের বিস্তারিত তথ্য পোস্টটিতে দেওয়া হয়নি। ফলে অভিযোগটির ওই অংশ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

পোস্টে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশের আচরণ নিয়ে এর আগেও বিভিন্ন যাত্রী অভিযোগ করেছেন। এমনকি বিবাহিত নারী যাত্রীদের কাছ থেকেও ব্যক্তিগত নথি চাওয়া ও বিভিন্নভাবে হয়রানির অভিযোগ রয়েছে বলে পোস্টে দাবি করা হয়েছে। এসব অভিযোগেরও স্বাধীন কোনো প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পোস্টটিতে নেই।

হাইকোর্টে বিষয়টি ওঠায় এখন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং আদালতে উপস্থাপিত নথির ভিত্তিতে তিন নারীকে আটকে দেওয়ার প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে।