অস্ট্রেলিয়ার পার্মানেন্ট প্রটেকশন ভিসায় পরিবারের যাদের নেওয়া যাবে

ডেল্টা ডেস্ক

ডেল্টা ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫:৩২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৫, ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার পার্মানেন্ট প্রটেকশন ভিসার আবেদনে পরিবারের কোন কোন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দিয়েছে দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব হোম অ্যাফেয়ার্স।

নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদন জমা দেওয়ার সময় পরিবারের সংশ্লিষ্ট সদস্যদের অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করতে হবে এবং প্রত্যেককে ভিসার নির্ধারিত যোগ্যতার শর্ত পূরণ করতে হবে।

একই আবেদনে পরিবারের প্রধান সদস্যের স্বামী বা স্ত্রী, ডি-ফ্যাক্টো পার্টনার, নির্ভরশীল সন্তান বা সৎসন্তান এবং সঙ্গীর নির্ভরশীল সন্তানকে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। নির্দিষ্ট শর্তে বাবা-মা, ভাই-বোন, দাদা-দাদি বা নানা-নানি, নাতি-নাতনি, চাচা-ফুপু, মামা-খালা, চাচাতো-মামাতো-খালাতো-ফুফাতো ভাইবোন এবং ভাতিজা-ভাতিজি বা ভাগনে-ভাগনিকেও অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রয়েছে।

কিছু ক্ষেত্রে সৎ আত্মীয়দেরও নির্ধারিত শর্তে একই আবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।

অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিবারের প্রধান ব্যক্তি সব সময় মূল আবেদনকারী হতে হবে এমন নয়। পরিবারের এমন কোনো সদস্যকেও পরিবারপ্রধান হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে, যিনি এখনো ভিসার জন্য আবেদন করেননি।

নির্ভরশীল সন্তানের ক্ষেত্রে সাধারণত বয়স ১৮ বছরের কম হতে হয়। তবে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী সন্তান শারীরিক বা মানসিক অক্ষমতার কারণে কর্মক্ষম না হলে এবং বাবা-মা বা সৎ বাবা-মায়ের ওপর আর্থিক, মানসিক বা শারীরিকভাবে নির্ভরশীল হলে তাকে নির্ভরশীল সন্তান হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।

তবে বিবাহিত, বাগদান সম্পন্ন বা ডি-ফ্যাক্টো সম্পর্কে থাকা সন্তানকে নির্ভরশীল হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। তাদের আলাদাভাবে আবেদন করতে হবে।

অন্য আত্মীয়দের ক্ষেত্রে সাধারণত তাদের কোনো স্বামী, স্ত্রী বা ডি-ফ্যাক্টো পার্টনার থাকা যাবে না। পাশাপাশি তাদের পরিবারপ্রধানের সঙ্গে বসবাস করতে এবং আর্থিক, মানসিক বা শারীরিক সহায়তার জন্য মূলত তার ওপর নির্ভরশীল হতে হবে।

ভিসা অনুমোদনের আগে পরিবারের সব সদস্যকে স্বাস্থ্য, চরিত্র ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে।

এদিকে আবেদন জমা দেওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ায় কোনো শিশুর জন্ম হলে এবং ভিসার সিদ্ধান্ত তখনো না হলে, সংশ্লিষ্ট শিশুকে চলমান আবেদনে যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফরম ও শিশুর জন্মসনদসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শিশুর জন্মের সময় তার বাবা-মায়ের বৈধ ভিসা থাকলে শিশুটি একই ধরনের ভিসা সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হতে পারে। আর বাবা বা মা অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক অথবা স্থায়ী বাসিন্দা হলে, শিশুটি জন্মসূত্রে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক হওয়ার যোগ্য হতে পারে।