প্রাথমিকে নির্বাচিত ১৪ হাজার শিক্ষকের পুলিশ ভেরিফিকেশন ও তথ্য যাচাইয়ের নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৬:৩৩ অপরাহ্ণ, মে ১০, ২০২৬
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ এর আওতায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য, পূর্ব কার্যকলাপ এবং দাখিলকৃত সকল সনদের সত্যতা যাচাইয়ে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অধিদপ্তরের জরুরি নির্দেশনা
রবিবার (১০ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি ও অপারেশন বিভাগের সহকারী পরিচালক (নিয়োগ) আইরিন পারভীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই আদেশ জারি করা হয়। এতে বলা হয়েছে, নিয়োগের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আগে প্রার্থীদের সব ধরনের নথিপত্র এবং ব্যক্তিগত পটভূমি নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করা হবে।
পুলিশি তদন্ত ও নথিপত্র যাচাই
প্রকাশিত নির্দেশনায় দুটি প্রধান বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে:
-
পূর্ব কার্যকলাপ যাচাই: পুলিশি তদন্তের (Police Verification) মাধ্যমে প্রার্থীদের কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা যাচাই করা হবে।
-
ডকুমেন্টস যাচাই: প্রার্থীদের জমা দেওয়া শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণপত্র এবং অন্যান্য নথিপত্রের সত্যতা যাচাই করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
নিয়োগ প্রক্রিয়া ও পরবর্তী ধাপ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই বিশাল নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছিল। যাচাই-বাছাইয়ের এই প্রক্রিয়াটি শেষ হওয়ার পর যোগ্য প্রার্থীদের অনুকূলে চূড়ান্ত নিয়োগপত্র প্রদান করা হবে।
“স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই পুলিশি তদন্ত এবং নথিপত্র যাচাইয়ের এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।”
— প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)
এই পদক্ষেপের ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে এবং কোনো জালিয়াতির সুযোগ থাকবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।



