পাসপোর্ট নবায়ন: প্রবাসীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
ডেল্টা ডেস্ক
প্রকাশিত: ৯:০৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে প্রবাসীদের অনেক ধরনের সমস্যায় পড়তে হতে পারে। বৈধ ভিসা বা রেসিডেন্স পারমিট থাকলেও মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্টের কারণে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নবায়নের আবেদন করা নিরাপদ।
বাংলাদেশে অবস্থান করলে অনলাইনে আবেদন করা যায়। সরকারি ওয়েবসাইট epassport.gov.bd-এ গিয়ে ‘রি-ইস্যু’ অপশন নির্বাচন করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হয়। তথ্য সংশোধন বা পাসপোর্ট নবায়নের জন্য ফরম পূরণ শেষে নির্ধারিত সময়ে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে বায়োমেট্রিক তথ্য দিতে হয়।
বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট নবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ দূতাবাস বা হাইকমিশনে আবেদন করতে হয়। নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অনলাইনে আবেদন শুরু করে পরে দূতাবাস বা হাইকমিশনে গিয়ে বাকি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়। সেখানে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা, ছবি ও বায়োমেট্রিক তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হয়।
আবেদনের সময় সাধারণত জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ, পুরোনো পাসপোর্ট এবং ভিসা বা রেসিডেন্স পারমিটের কপি প্রয়োজন হয়। প্রবাসীদের ক্ষেত্রে স্থানীয় পরিচয়পত্র বা ওয়ার্ক পারমিটও প্রয়োজন হতে পারে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিকভাবে জমা না দিলে আবেদন প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে।
পাসপোর্ট নবায়নের সময় নামের বানান বা জন্মতারিখের মতো তথ্য সংশোধনের সুযোগও থাকে। তবে এ ধরনের সংশোধনের জন্য অতিরিক্ত প্রমাণপত্র জমা দিতে হয়।
বিদেশে পাসপোর্ট নবায়নের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি দিতে হয়। সাধারণত ২০০ সৌদি রিয়াল বা সমপরিমাণ অর্থ ফি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে দেশ ও সেবার ধরন অনুযায়ী ফি ভিন্ন হতে পারে। ফি পরিশোধের পর আবেদনকারীর বায়োমেট্রিক ও আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়। এরপর নির্ধারিত প্রক্রিয়া শেষে নতুন পাসপোর্ট দেওয়া হয়।
প্রবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও নবায়নের জন্য সবসময় দেশে ফেরার প্রয়োজন হয় না। সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ দূতাবাস বা হাইকমিশনের মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা যায়।
তবে পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার অপেক্ষা না করে আগেই নবায়নের উদ্যোগ নেওয়া ভালো। এতে ভিসা, রেসিডেন্স পারমিট, চাকরি, পড়াশোনা বা চিকিৎসার মতো জরুরি কাজে অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা এড়ানো সম্ভব।



