মালয়েশিয়ায় দক্ষতার ভিত্তিতে প্রবাসীদের বেতন বাড়ানোর উদ্যোগ
ডেল্টা ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:২৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
মালয়েশিয়ায় শুধু ন্যূনতম মজুরি বাড়ানো নয়, কর্মীদের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতার ভিত্তিতে বেতন বৃদ্ধির নতুন কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দেশটির অর্থমন্ত্রী আকমল নাসরুল্লাহ মোহাম্মদ নাসির বলেছেন, কর্মীদের জন্য আরও স্পষ্ট ‘ওয়েজ ল্যাডার’ বা ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধির ব্যবস্থা প্রয়োজন।
মালয় মেইলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বর্তমানে মালয়েশিয়ায় ন্যূনতম মজুরি ১ হাজার ৭০০ রিঙ্গিত। দেশটির সরকারের লক্ষ্য, ২০৩০ সালের মধ্যে ন্যূনতম মজুরি ৩ হাজার রিঙ্গিতে উন্নীত করা।
ব্যাংক নেগারা মালয়েশিয়ার তথ্য তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০১৬ সালে স্বল্পদক্ষ ও আধাদক্ষ কর্মীদের বেতনের ব্যবধান ছিল ৫৫০ রিঙ্গিত। ২০২৪ সালে এই ব্যবধান কমে ৩৯৬ রিঙ্গিতে দাঁড়িয়েছে।
অর্থাৎ ন্যূনতম মজুরি বাড়লেও কর্মীদের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতন বাড়ছে না। এ কারণে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বেতন নির্ধারণের জন্য আরও কার্যকর কাঠামো প্রয়োজন বলে মনে করছে দেশটির সরকার।
বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য কী অর্থ
মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে আধাদক্ষ ও দক্ষ কর্মীরা প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে ভবিষ্যতে তুলনামূলক বেশি বেতনের সুযোগ পেতে পারেন।
তবে এখনো বাংলাদেশি বা অন্য কোনো বিদেশি কর্মীদের জন্য নতুন কোনো নির্দিষ্ট বেতনহার ঘোষণা করা হয়নি। বিষয়টি মূলত মালয়েশিয়ার চলমান Progressive Wage Policy-এর আওতায় বিবেচনা করা হচ্ছে।
সরকারি সংবাদ সংস্থা বারনামার প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানা গেছে, এ বছরের শেষ দিকে অথবা আগামী বছরের শুরুতে এই নীতির কার্যকারিতা পর্যালোচনা করা হতে পারে।
ফলে মালয়েশিয়ায় কর্মরত প্রবাসীদের বেতন বাড়ানোর বিষয়টি এখনো পরিকল্পনা ও পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে দক্ষতা, প্রশিক্ষণ ও উৎপাদনশীলতার ভিত্তিতে বেতন কাঠামোতে পরিবর্তন আসতে পারে।



