৬৩ দেশের শিক্ষার্থীদের অর্থ প্রমাণে ছাড়

যুক্তরাজ্যে পড়তে ভিসার আবেদন আরও সহজ

ডেল্টা ডেস্ক

ডেল্টা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৩৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

যুক্তরাজ্য সরকার নতুন নির্দেশনায় ৬৩ দেশের শিক্ষার্থীদের স্টুডেন্ট ভিসা আবেদনে অর্থের প্রমাণ দেখানোর বাধ্যবাধকতা তুলে নিয়েছে। ‘ডিফারেনশিয়াল এভিডেন্স রিকোয়ারমেন্ট’ নীতির আওতায় এই সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ফলে এসব দেশের শিক্ষার্থীদের যুক্তরাজ্যে থাকা ও জীবনযাপনের খরচ বহনের সক্ষমতার প্রমাণ দিতে হবে না। তবে কোর্সের ফি পরিশোধের সক্ষমতা প্রমাণ করতে হবে।

এই তালিকায় আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোসহ বেশ কয়েকটি রাষ্ট্র রয়েছে। ব্রিটিশ ওভারসিজ ন্যাশনালরাও এই সুবিধার আওতায় থাকবেন। তবে বাংলাদেশ, ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশ এই তালিকায় নেই।

তবে যুক্তরাজ্যের ভিসা ও ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রয়োজন মনে করলে আবেদনকারীর কাছে আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ চাওয়া হতে পারে। আবেদন জমা দেওয়ার পর প্রয়োজন হলে কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর সাথে যোগাযোগ করবে।

যেসব শিক্ষার্থীর অর্থের প্রমাণ দেখাতে হবে, তাদের লন্ডনে পড়াশোনার ক্ষেত্রে প্রতি মাসে ১ হাজার ৫২৯ পাউন্ড এবং লন্ডনের বাইরে প্রতি মাসে ১ হাজার ১৭১ পাউন্ড থাকার খরচ হিসেবে দেখাতে হবে। সর্বোচ্চ নয় মাস পর্যন্ত এই হিসাব প্রযোজ্য। অর্থের পরিমাণ আবেদনকারীর ব্যাংক হিসাবে টানা অন্তত ২৮ দিন থাকতে হবে এবং আবেদন করার ৩১ দিনের মধ্যে ওই ২৮ দিনের সময়সীমা শেষ হতে হবে।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের এক বছরের কোর্স ফি পরিশোধের সক্ষমতাও দেখাতে হয়। কোর্স ফি’র তথ্য তাদের ‘সিএএস’ বা কনফার্মেশন অব অ্যাকসেপ্টেন্স ফর স্টাডিজে উল্লেখ থাকে।

তবে যারা আবেদন করার আগে টানা ১২ মাস যুক্তরাজ্যে বৈধ ভিসায় বসবাস করেছেন, তাদের অর্থের প্রমাণ দেখাতে হয় না। একই সুবিধা প্রযোজ্য স্টুডেন্ট ইউনিয়নের সাবাটিক্যাল অফিসার পদে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রেও।

নতুন এই ছাড়ের ফলে তালিকাভুক্ত ৬৩ দেশের শিক্ষার্থীদের স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া কিছুটা সহজ হবে। তবে ভিসার অন্যান্য শর্ত, যেমন স্বাস্থ্য ও চরিত্র যাচাই এবং কোর্স ফি পরিশোধের সক্ষমতা প্রমাণের নিয়ম বহাল থাকবে।