সৌদির কিং আবদুল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডি বৃত্তি

ডেল্টা ডেস্ক

ডেল্টা ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:০০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

সৌদি আরবের কিং আবদুল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (কাউস্ট)-এ ২০২৭ সালের বসন্তকালীন সেমিস্টারের পিএইচডি কর্মসূচিতে আবেদন শুরু হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থায়নে দেওয়া এই বৃত্তির আওতায় টিউশন ফি, মাসিক ভাতা, আবাসন ও স্বাস্থ্যবিমাসহ বিভিন্ন সুবিধা পাওয়া যাবে।

প্রথম ধাপের আবেদনের শেষ সময় ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬। প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে ৮ নভেম্বর। ক্লাস শুরু হবে ১৭ জানুয়ারি ২০২৭।

২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত কাউস্ট সৌদি আরবের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণার অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান। বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা কিং আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ আল-সউদ বলেছিলেন, কাউস্ট হবে শান্তি, আশা ও পুনর্গঠনের দিশারি।

কাউস্টে বায়োসায়েন্স, বায়োইঞ্জিনিয়ারিং, পরিবেশবিজ্ঞান, সামুদ্রিক বিজ্ঞান, উদ্ভিদবিজ্ঞান, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, ফলিত পদার্থবিজ্ঞান ও পরিসংখ্যানসহ বিভিন্ন বিষয়ে পিএইচডি করার সুযোগ রয়েছে।

আবেদনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি থাকতে হবে। আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর এবং ৪-এর মধ্যে ন্যূনতম ৩.০ সিজিপিএ থাকতে হবে। পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে। ভালো একাডেমিক ফলাফল ও গবেষণার আগ্রহও আবেদনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীরা পূর্ণ টিউশন ফি ও গবেষণাগার ব্যবহারের ফি থেকে ছাড় পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয় বছরে সর্বোচ্চ ৩৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন খরচ বহন করবে। মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের বছরে প্রায় ২০ হাজার ডলার এবং পিএইচডি শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিভেদে বছরে ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার ডলার পর্যন্ত ভাতা দেওয়া হবে।

আবেদনের সময় স্টেটমেন্ট অব পারপাস, বিশ্ববিদ্যালয়ের নম্বরপত্র, জীবনবৃত্তান্ত, তিনজন রেফারির তথ্য এবং পাসপোর্টের কপি জমা দিতে হবে। ইংরেজি ভাষার পরীক্ষার ফল থাকলে সেটিও জমা দিতে হবে। আবেদনের ফি ২০০ সৌদি রিয়াল বা প্রায় ৬ হাজার ৫৪৭ টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

কাউস্টের ক্যাম্পাসে আধুনিক গবেষণাগার, গ্রন্থাগার, ডে-কেয়ার ও শিশুদের জন্য স্কুল রয়েছে। গবেষণাগারগুলো ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে। ফলে শিক্ষার্থীরা গবেষণার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের সাথে ক্যাম্পাসে থাকার সুবিধাও পাবেন।