বিশ্বে দ্বিতীয় শক্তিশালী পাসপোর্ট এখন মালয়েশিয়ার
ডেল্টা ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:৩২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
মালয়েশিয়ার পাসপোর্ট এখন বিশ্বের দ্বিতীয় শক্তিশালী পাসপোর্ট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ২০২৬ সালের পাসপোর্ট ইনডেক্সের বৈশ্বিক র্যাঙ্কিংয়ে সিঙ্গাপুরের সাথে যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মালয়েশিয়া। তালিকার শীর্ষে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
র্যাঙ্কিং অনুযায়ী, মালয়েশিয়ার পাসপোর্টধারীরা ১৭৫টি দেশে ভিসা ছাড়াই অথবা বিমানবন্দরে পৌঁছে ভিসা নিয়ে ভ্রমণ করতে পারবেন। এর মধ্যে ১২৯টি দেশে ভিসা ছাড়াই প্রবেশ করা যায়। আর ৪৬টি দেশে পৌঁছানোর পর ভিসা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। মাত্র ২৩টি দেশে ভ্রমণের আগে ভিসা নিতে হয়।
এই অবস্থানের ফলে মালয়েশিয়া স্পেনসহ ইউরোপের ১৬টি দেশকে পেছনে ফেলেছে। জার্মানি, ইতালি, নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া ও সুইডেনের মতো দেশগুলোও তালিকায় মালয়েশিয়ার নিচে রয়েছে।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, এই র্যাঙ্কিং দেশটির পাসপোর্টের শক্তি ও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার প্রতিফলন।
পাসপোর্ট ইনডেক্স প্রকাশ করে আর্টন ক্যাপিটাল। বিনিয়োগের মাধ্যমে অভিবাসন ও নাগরিকত্ব পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯টি গন্তব্যের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে হালনাগাদ করে। এই তালিকা হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স থেকে আলাদা। হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার তথ্য ব্যবহার করে। ফলে দুই সূচকের র্যাঙ্কিংয়ে পার্থক্য থাকতে পারে।
এদিকে মালয়েশিয়ার নতুন পাসপোর্টেও বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। ২০২৬ সালের আগস্ট থেকে আন্তর্জাতিক পাসপোর্টের মেয়াদ ১০ বছর করা হয়েছে। এতে ঘন ঘন পাসপোর্ট নবায়নের প্রয়োজন কমবে এবং ভ্রমণকারীদের সময় ও কাগজপত্রের ঝামেলা কমবে।
নতুন পাসপোর্টে উন্নত নিরাপত্তাব্যবস্থাও যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গুইলোশ প্যাটার্ন, ল্যাটেন্ট ইমেজ, রেইনবো প্রিন্টিং, লাইন উইডথ মড্যুলেশন, হোলোগ্রাম ও অতিবেগুনি রশ্মিনির্ভর মুদ্রণপ্রযুক্তি।
শুধু নিরাপত্তাব্যবস্থাই নয়, পাসপোর্টের পাতায় মালয়েশিয়ার ঐতিহাসিক স্থাপনার বিশেষ নকশাও যুক্ত করা হয়েছে। এসব নকশা সাধারণ চোখে দেখা যায় না; অতিবেগুনি আলোতে এগুলো দৃশ্যমান হয়।



