মালয়েশিয়ায় কলিং ভিসা

কোটা আছে, নির্দেশনা নেই-আটকে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া

ডেল্টা ডেস্ক

ডেল্টা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২:৩২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২, ২০২৬

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া আবারও এগোতে শুরু করলেও নিয়োগের নিয়ম, খরচ ও কর্মীদের যাওয়ার সময়সূচি নিয়ে এখনো স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়নি বাংলাদেশ সরকার। ফলে মালয়েশিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

৩০ সেপ্টেম্বরের দ্য ডেইলি স্টার-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশন বাংলাদেশি কর্মীদের জব ডিমান্ড লেটার সত্যায়ন শুরু করেছে। ইতোমধ্যে গুডনেস সার্ভিস নামের একটি রিক্রুটিং এজেন্সির ২৮ কর্মীর ডিমান্ড লেটার সত্যায়ন করা হয়েছে।

তবে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা এখনো প্রকাশ হয়নি। ফলে ডিমান্ড লেটার সত্যায়ন শুরু হলেও পরবর্তী ধাপ নিয়ে সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সি ও কর্মীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

নতুন ব্যবস্থায় মালয়েশিয়া বাংলাদেশি ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে প্রিন্সিপাল এজেন্সি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানের সাথে আরও ৩১২টি সহযোগী এজেন্সি এবং বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় মোট ৩৩৮টি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হতে পারে।

এদিকে মালয়েশিয়ায় আড়াই লাখের বেশি কর্মীর কোটা অনুমোদন এবং পাঁচ হাজার কর্মীর কাগজপত্র জমা পড়ার যে দাবি করা হচ্ছে, তার স্বাধীন সরকারি নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। মালয়েশিয়ার সরকারি সংস্থা জেটিকেএসএমের তথ্য অনুযায়ী, বিদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া এফডব্লিউসিএমএস ব্যবস্থার মাধ্যমে এবং প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদনের অধীনে সম্পন্ন হয়।

এ অবস্থায় বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত কর্মীদের টাকা জমা দেওয়া, পাসপোর্ট দেওয়া বা মেডিকেল পরীক্ষা করানো থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করতে বাংলাদেশ বেশি সময় নিলে মালয়েশিয়ার নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো অন্য দেশ থেকে কর্মী নেওয়ার দিকে যেতে পারে। এতে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সম্ভাব্য কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।