হোয়াইট হাউসে তিন গণমাধ্যমের নিষেধাজ্ঞায় বিচার বিভাগের সমর্থন
ডেল্টা আন্তর্জাতিক
প্রকাশিত: ১০:৪৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকোকে হোয়াইট হাউস থেকে নিষিদ্ধ বা বিভিন্ন এলাকায় তাদের প্রবেশ সীমিত করার সিদ্ধান্তের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে মার্কিন বিচার বিভাগ। মঙ্গলবার গভীর রাতে ফেডারেল আদালতে জমা দেওয়া নথিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসে প্রবেশাধিকার একটি সুযোগ, সাংবিধানিক অধিকার নয়।
বিচার বিভাগের আইনজীবীরা যুক্তি দিয়েছেন, ইরান যুদ্ধ এবং হোয়াইট হাউসে বলরুম নির্মাণ নিয়ে ওই তিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। প্রশাসনের মতে, হোয়াইট হাউস কমপ্লেক্সের সংরক্ষিত ও গোপনীয় এলাকাগুলোতে জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত তথ্য সুরক্ষার জন্য প্রেসিডেন্ট প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।
আদালতে জমা দেওয়া নথিতে আরও বলা হয়েছে, সরকার প্রয়োজনে ওভাল অফিসের মতো প্রেসিডেন্টের সংরক্ষিত এলাকাগুলোতে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। প্রশাসনের দাবি, বাদী গণমাধ্যমগুলো এমন কিছু প্রতিবেদন করেছে, যা জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
ওয়াশিংটন ডিসির ফেডারেল বিচারক টিমোথি কেলির সামনে জরুরি শুনানির আগে এসব নথি জমা দেওয়া হয়।
গত শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকোকে হোয়াইট হাউস থেকে নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেন। এরপর শনিবার ওই তিন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়।
এর পর সোমবার গণমাধ্যম তিনটি হোয়াইট হাউসে তাদের প্রবেশাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে আদালতে মামলা করে। মামলায় তারা অভিযোগ করেছে, এই নিষেধাজ্ঞা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সাংবিধানিক সুরক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
মামলাটি বিচারক টিমোথি কেলির আদালতে শুনানির জন্য যায়। এর আগে ২০১৮ সালে হোয়াইট হাউসের সাবেক সিএনএন প্রতিবেদক জিম অ্যাকোস্টার প্রেস পাস পুনর্বহালের মামলাও দেখেছিলেন কেলি।
এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তের পর অন্যান্য বড় মার্কিন টেলিভিশন নেটওয়ার্কও হোয়াইট হাউসের প্রেস পুল থেকে ভিডিও কভারেজ স্থগিত করেছিল। ফলে গণমাধ্যমের প্রবেশাধিকার ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।



