যাচাই-বাছাই ছাড়া ভোজ্যতেলের দাম বাড়বে না : বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৯:০০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬

ব্যবসায়ীরা আবারও ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর দাবি তুললেও যাচাই-বাছাইয়ের আগে এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের দাবির বিষয়টি সরকার যাচাই করে বুঝেশুনে সিদ্ধান্ত নেবে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে সিলেট সদর উপজেলার কানিশাইলে সুরমা নদীর ডান তীরে প্রতিরক্ষা কাজের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়ছে ভোক্তাপর্যায়ে। এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা আবারও সরকারের কাছে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

গত ২৯ এপ্রিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বাড়ানোর অনুমতি দেয়। এতে ১ লিটারের বোতলের দাম ১৯৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৯৯ টাকা হয়।

এরপর বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন লিটারে আরও ১০ টাকা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়। পরে সরকার লিটারে ৫ টাকা দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

ব্যবসায়ীদের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধি এবং পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলে তাদের খরচ ১৮ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমান দামে বিক্রি করায় ধারাবাহিকভাবে লোকসান হচ্ছে বলেও দাবি করেন তারা।

তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, বিশ্ববাজারে ভোজ্যতেলের দাম কিছুটা বাড়লেও কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবিত দামের সঙ্গে এর বড় ব্যবধান রয়েছে। এ ছাড়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে করছাড় দেওয়া হয়েছে।

সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণের বিষয়ে মন্ত্রী এর আগে বলেছিলেন, সয়াবিন তেল পুরোপুরি আমদানিনির্ভর। এফওবি মূল্যের সাথে জাহাজভাড়া, খালাস ব্যয়, বিমা, রিফাইনারির প্রক্রিয়াকরণ খরচ ও পরিবহনকালীন অপচয় যোগ করে চূড়ান্ত দাম নির্ধারণ করা হয়।

তিনি সতর্ক করে বলেন, আমদানিকারকেরা টানা লোকসানের মুখে পড়লে বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হতে পারে।