এআই প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার দাবি উত্তর কোরিয়ার
ডেল্টা আন্তর্জাতিক
প্রকাশিত: ৮:৩৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩, ২০২৬
দক্ষিণ কোরিয়া উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের কথা জানানোর কয়েক ঘণ্টা পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি মাঝারি পাল্লার কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর দাবি করেছে পিয়ংইয়ং।
শনিবার (৩ অক্টোবর) ভোরে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানায়, উত্তর কোরিয়ার ওনসান এলাকা থেকে পূর্ব সাগরের দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রটি ৭০০ কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দিয়েছে বলে জানায় তারা। এ বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়া, আমেরিকা ও জাপান তথ্য আদান-প্রদান করছে।
পরে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং জানান, এটি ছিল একটি মাঝারি পাল্লার কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র। তাঁর দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রটিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। উড্ডয়নের সময় এটি কম উচ্চতায় গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে ক্ষেপণাস্ত্রটিতে কীভাবে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি কিম ইয়ো জং। তাঁর দাবি, এ ধরনের প্রযুক্তির কারণে ক্ষেপণাস্ত্রটি শনাক্ত ও প্রতিহত করা কঠিন হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক সহযোগিতার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটাচ্ছে। তবে পরীক্ষিত ক্ষেপণাস্ত্রে কতটা উন্নত এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, তা এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
দক্ষিণ কোরিয়ার এক সামরিক বিশ্লেষকও উত্তর কোরিয়ার দাবিগুলো যাচাই করতে আরো তথ্যের প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন। তাঁর মতে, ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ পরিবর্তনের সক্ষমতা থাকলেও এর অর্থ এই নয় যে সেটি নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম।



