প্রবাসীদের জন্য সুখবরের আভাস, মালয়েশিয়া ইস্যুতে আশাবাদী সরকার

ডেল্টা ডেস্ক

ডেল্টা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১:০২ অপরাহ্ণ, জুন ২৫, ২০২৬

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী জুলাই মাসের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসতে পারে। বুধবার (২৪ জুন) সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফর অত্যন্ত সফল ও ফলপ্রসূ হয়েছে। সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে শ্রমবাজার, জনশক্তি রপ্তানি এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। এর ইতিবাচক প্রভাব আগামী জুলাই মাস থেকেই দৃশ্যমান হতে পারে বলে তিনি আশা করেন।

আরিফুল হক চৌধুরী জানান, মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী জুলাই মাসেই বাংলাদেশ সফর করতে পারেন। এ সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে জনশক্তি রপ্তানি ও শ্রমবাজার সংক্রান্ত সহযোগিতা আরও এগিয়ে যাবে বলে তিনি মনে করেন।

প্রবাসীদের সেবার মান উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মান বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বয়োজ্যেষ্ঠ, অসুস্থ ও বিশেষ সহায়তাপ্রার্থী যাত্রীদের জন্য লাগেজ ব্যবস্থাপনা, সহায়ক সেবা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করার কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, বিমানবন্দরে কোনো ধরনের হয়রানি বা ভোগান্তি এড়াতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রবাসীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, রাতের ফ্লাইটে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াতের সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি শিশুদের জন্য ‘কিডস জোন’ স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করবে।

মাজার ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। কোনো ধরনের অনিয়ম বা অস্বচ্ছতার সুযোগ দেওয়া হবে না এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলা হবে।

কাতারে নিহত বাংলাদেশিদের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হচ্ছে।