ঘরে বসেই থাইল্যান্ডের ই-ভিসার আবেদন

ডেল্টা ডেস্ক

ডেল্টা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২:১৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

বাংলাদেশ থেকে থাইল্যান্ড ভ্রমণের জন্য ই-ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া এখন অনলাইনেই সম্পন্ন করা যায়। ঘরে বসে থাইল্যান্ডের ই-ভিসার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র জমা দিয়ে আবেদন করা সম্ভব। তবে আবেদন করার সময় পাসপোর্টের তথ্যসহ সব তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।

প্রথমে থাইল্যান্ড ই-ভিসার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। একটি অ্যাকাউন্ট থেকে সর্বোচ্চ ১০ জনের জন্য আবেদন করা যায়। আবেদনকারীর পাসপোর্টের বায়োডাটা পেজ ও ছবি আপলোড করতে হবে। এসব ফাইল জেপিজি ফরম্যাটে এবং সর্বোচ্চ ৩ এমবির মধ্যে হতে হবে।

আবেদন ফরমে পাসপোর্টে থাকা তথ্য অনুযায়ী নাম, জন্মতারিখ, পাসপোর্ট নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। কোনো তথ্য ভুল হলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এর সঙ্গে আবেদনকারীর ব্যাংক স্টেটমেন্ট, চাকরি বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও জমা দিতে হয়।

ভিসা ফি

থাইল্যান্ডের ট্যুরিস্ট ভিসার সিঙ্গেল এন্ট্রির জন্য ফি ৩ হাজার ৫০০ টাকা। মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার জন্য ফি ১৭ হাজার টাকা। বাংলাদেশ থেকে আবেদনকারীদের ভিসা আবেদন ঢাকায় অবস্থিত রয়েল থাই এম্বাসির মাধ্যমে প্রক্রিয়া করতে হয়।

আবেদন সম্পন্ন করার পর একটি পেমেন্ট ইনফো সামারি শিট পাওয়া যায়। এতে রেফারেন্স নম্বর ও প্রয়োজনীয় কোড থাকে। এরপর কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলনের নির্ধারিত অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে ভিসা ফি পরিশোধ করতে হয়। পেমেন্ট সম্পন্ন হলে আবেদনকারীর ই-মেইলে ই-রিসিপ্ট পাঠানো হয়।

১০ কার্যদিবস সময়

আবেদন জমা দেওয়ার পর ভিসা অনুমোদন পেতে অন্তত ১০ কার্যদিবস সময় লাগতে পারে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আবেদনকারীর কাছে অতিরিক্ত কাগজপত্র বা তথ্য চাইতে পারে।

ভিসা অনুমোদন হলে ই-ভিসার কপি প্রিন্ট করে রাখতে হবে। থাইল্যান্ডে প্রবেশের সময় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে ই-ভিসার কপি দেখাতে হবে। তাই ভ্রমণের পরিকল্পনা করার আগে পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে ভিসার আবেদন করা পরামর্শযোগ্য।