হংকংয়ে পিএইচডির সুযোগ, বছরে বৃত্তি প্রায় ৫৪ লাখ টাকা
ডেল্টা ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:৩৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ নিয়ে এসেছে হংকং পিএইচডি ফেলোশিপ স্কিম। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা বছরে প্রায় ৪৩ হাজার ৬৯০ মার্কিন ডলার বৃত্তি পাবেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৫৪ লাখ টাকা। এর পাশাপাশি সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত প্রতি বছর সম্মেলন ও গবেষণাসংক্রান্ত ভ্রমণের জন্য অতিরিক্ত ১ হাজার ৮২০ মার্কিন ডলার দেওয়া হবে।
পিএইচডি সম্পন্ন করতে তিন বছরের বেশি সময় প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা দিতে পারে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
এই ফেলোশিপের আওতায় হংকংয়ের আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো—সিটি ইউনিভার্সিটি অব হংকং, হংকং ব্যাপটিস্ট ইউনিভার্সিটি, লিংনান ইউনিভার্সিটি, দ্য চায়নিজ ইউনিভার্সিটি অব হংকং, দ্য এডুকেশন ইউনিভার্সিটি অব হংকং, দ্য হংকং পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটি, দ্য হংকং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এবং দ্য ইউনিভার্সিটি অব হংকং।
ফেলোশিপের আওতায় বিজ্ঞান, চিকিৎসাবিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি, মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে পিএইচডি করার সুযোগ রয়েছে।
আবেদনকারীদের বাছাইয়ের ক্ষেত্রে একাডেমিক ফলাফল, গবেষণার দক্ষতা ও সম্ভাবনা, যোগাযোগ ও আন্তব্যক্তিক দক্ষতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
আবেদনের জন্য প্রথমে হংকং পিএইচডি ফেলোশিপ স্কিমের ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রাথমিক আবেদন জমা দিতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার পর আবেদনকারী একটি রেফারেন্স নম্বর পাবেন। পরে ওই নম্বর ব্যবহার করে পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির আবেদন করতে হবে।
একজন আবেদনকারী সর্বোচ্চ দুটি প্রোগ্রাম বা বিভাগ বেছে নিতে পারবেন। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি প্রোগ্রামে অথবা দুটি ভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।
প্রাথমিক আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১ ডিসেম্বর ২০২৬, হংকং সময় দুপুর ১২টা। এরপর সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে পূর্ণাঙ্গ আবেদন জমা দিতে হবে।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামভেদে ভর্তির যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং আবেদনপ্রক্রিয়ায় পার্থক্য থাকতে পারে। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট নির্দেশনা ভালোভাবে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য এই ফেলোশিপ আন্তর্জাতিক পরিসরে পিএইচডি করার পাশাপাশি গবেষণা ও পেশাগত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করতে পারে।



