২০২৬ বিশ্বকাপ: কার হাতে উঠবে সোনালী ট্রফি? পরিসংখ্যানে ফেবারিট স্পেন ও ফ্রান্স
খেলা ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩:১৪ অপরাহ্ণ, মে ৭, ২০২৬
বিশ্বকাপ ফুটবলের মহারণ শুরু হতে বাকি আর মাত্র মাসখানেক। আগামী ১১ জুন থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে পর্দা উঠবে ফুটবল ইতিহাসের বৃহত্তম আসরের। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দলের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই বিশ্বকাপকে ঘিরে এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে গাণিতিক হিসাব-নিকাশ। বিভিন্ন বিশ্লেষণধর্মী প্ল্যাটফর্ম ও ফুটবল বোদ্ধাদের দেওয়া তথ্যে উঠে এসেছে শিরোপা জয়ের সম্ভাব্য দাবিদারদের নাম।
যৌথভাবে শীর্ষে স্পেন ও ফ্রান্স
বিশ্লেষকদের মতে, এবারের আসরে শিরোপা জয়ের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে বর্তমান ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন এবং এমবাপ্পের ফ্রান্স। দুই দলেরই জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে ১৬.৭ শতাংশ। তরুণ ও প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে স্পেনের পাসিং ফুটবল আর কিলিয়ান এমবাপ্পের নেতৃত্বে ফ্রান্সের বিধ্বংসী আক্রমণভাগ তাদের তালিকার শীর্ষে রেখেছে।
ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আমেরিকার চ্যালেঞ্জ
গত কয়েক বছর ধরে বড় টুর্নামেন্টে ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলা ইংল্যান্ড রয়েছে তালিকার তৃতীয় স্থানে। তাদের শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা ১৩.৩ শতাংশ। অন্যদিকে, দক্ষিণ আমেরিকার দুই পরাশক্তি ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনাকে নিয়েও চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।
ব্রাজিল (১১.১%): অভিজ্ঞ কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে সেলেসাওরা এবার হেক্সা জয়ের মিশনে নামবে। আনচেলত্তির ট্যাকটিকস ব্রাজিলকে দীর্ঘদিনের শিরোপা খরা কাটাতে সাহায্য করবে বলে মনে করছেন অনেকে।
আর্জেন্টিনা (১০.৫%): বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা তাদের শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে নামবে লিওনেল স্কালোনির অধীনে। ২০২২ বিশ্বকাপের মূল দলের ওপর ভরসা রাখলেও আলবিসেলেস্তেদের জয়ের সম্ভাবনা কিছুটা কম দেখছেন বিশ্লেষকরা।
আর যারা আছেন
ইউরোপের অন্য শক্তিশালী দলগুলোর মধ্যে পর্তুগালের সম্ভাবনা ৮.৩ শতাংশ, জার্মানির ৬.৭ শতাংশ এবং নেদারল্যান্ডসের জয়ের সম্ভাবনা ৪.৮ শতাংশ।
এক নজরে শিরোপার দৌড়:
| দেশ | জয়ের সম্ভাবনা (%) |
|—|—|
| স্পেন | ১৬.৭% |
| ফ্রান্স | ১৬.৭% |
| ইংল্যান্ড | ১৩.৩% |
| ব্রাজিল | ১১.১% |
| আর্জেন্টিনা | ১০.৫% |
| পর্তুগাল | ৮.৩% |
আসন্ন ১১ জুন উদ্বোধনী ম্যাচ থেকে শুরু করে মাসব্যাপী এই লড়াই শেষে কার হাতে উঠবে ফিফা বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফি, তা জানতে মুখিয়ে আছে পুরো ফুটবল বিশ্ব। তবে মাঠের লড়াইয়ে পরিসংখ্যান কতটা সত্যি হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।



