অস্ট্রেলিয়ার ভিসায় নতুন কড়াকড়ি, গুরুত্ব পাবে চরিত্র যাচাই

ডেল্টা ডেস্ক

ডেল্টা ডেস্ক

প্রকাশিত: ৪:৫১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৭, ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার ভিসা প্রত্যাখ্যান ও বাতিলের ক্ষেত্রে আরও কঠোর হচ্ছে চরিত্র যাচাই প্রক্রিয়া। আগামী ৩১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে কার্যকর হতে যাওয়া নতুন নিয়মে আবেদনকারীর অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, আচরণ এবং জননিরাপত্তার জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকিকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

দ্য ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন নিয়মে পারিবারিক সহিংসতা, ঘৃণামূলক অপরাধ, সহিংসতায় উসকানি, গুরুতর মাদকসংক্রান্ত অপরাধ এবং অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের মতো বিষয়গুলো বিশেষভাবে বিবেচনা করা হবে।

অর্থাৎ, কোনো আবেদনকারী অস্ট্রেলিয়ার জনগণের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারেন বলে মনে হলে, তাঁর ভিসা প্রত্যাখ্যান বা বাতিলের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

পরিবার ও সামাজিক সম্পর্কের গুরুত্ব কমবে

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আবেদনকারীর অস্ট্রেলিয়ায় পরিবার, সামাজিক সম্পর্ক কিংবা ব্যবসায়িক যোগাযোগ থাকার বিষয়টি আগের তুলনায় কম গুরুত্ব পেতে পারে। ফলে দেশটিতে দীর্ঘদিন বসবাস, পারিবারিক বন্ধন কিংবা সামাজিক যোগাযোগ থাকলেও তা চরিত্রগত উদ্বেগের বিষয়গুলোকে উপেক্ষা করার নিশ্চয়তা দেবে না।

তবে শুধু অপরাধের রেকর্ড থাকলেই সবার ভিসা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে, বিষয়টি এমন নয়। সংশ্লিষ্ট আইন, অপরাধের ধরন এবং ব্যক্তির পরিস্থিতি বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য কী বার্তা?

অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা, কাজ কিংবা স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করছেন—এমন বাংলাদেশিদের জন্য ভিসার শর্ত ও চরিত্র যাচাইয়ের বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় ভিসা নিয়ে বসবাসকারীদেরও দেশটির আইন মেনে চলা এবং ভিসার শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন। কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে বা গুরুতর আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে তা ভিসার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

সব মিলিয়ে, অস্ট্রেলিয়ার ভিসা প্রক্রিয়ায় চরিত্র যাচাইয়ের বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তাই আবেদন করার আগে সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা যাচাই করা এবং প্রয়োজন হলে নিবন্ধিত অভিবাসন পরামর্শকের সহায়তা নেওয়া ভালো।