হঠাৎ ব্যাংকে বড় লেনদেন? আটকে যেতে পারে কানাডার স্টাডি পারমিট

ডেল্টা ডেস্ক

ডেল্টা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১৫, ২০২৬

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য স্টাডি পারমিট ইস্যুর ক্ষেত্রে আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ যাচাইয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে কানাডা। দেশটিতে আবেদনের জন্য নির্ধারিত ন্যূনতম অর্থের পরিমাণে কোনো পরিবর্তন না আসলেও, এখন থেকে ব্যাংক ব্যালেন্সের পাশাপাশি অর্থের উৎস, লেনদেনের ধারাবাহিকতা ও নথিপত্রের বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর বাড়তি জোর দিচ্ছেন অভিবাসন কর্মকর্তারা। ব্যাংক অ্যাকাউন্টে হঠাৎ বড় অঙ্কের জমা কিংবা অসঙ্গতি থাকলে অতিরিক্ত ব্যাখ্যা চাওয়া হতে পারে।

অ্যাপ্লাইবোর্ডের এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত ও বিশ্বাসযোগ্য আর্থিক প্রমাণ দিতে না পারাই স্টাডি পারমিট প্রত্যাখ্যানের প্রধান কারণ (৪৭%)। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে ছয় মাসের স্বচ্ছ ব্যাংক স্টেটমেন্ট, স্পনসরের আয়ের সনদ ও গ্যারান্টিড ইনভেস্টমেন্ট সার্টিফিকেট (জিআইসি) যুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নথিপত্রে এই কড়াকড়ির প্রভাব পড়েছে সার্বিক আবেদন প্রক্রিয়ায়। বর্ডারপাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত নতুন স্টাডি পারমিটের আবেদন প্রক্রিয়াকরণ আগের বছরের তুলনায় ৪৩ শতাংশ কমলেও সামগ্রিক অনুমোদনের হার ৯ শতাংশীয় পয়েন্ট বেড়ে ৩৫ শতাংশে পৌঁছেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কানাডার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে শুধু আবেদনের সংখ্যা না বাড়িয়ে মানসম্মত ও সঠিক আর্থিক নথিসম্পন্ন শিক্ষার্থী বাছাইয়ের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।