বিদেশে উচ্চশিক্ষার সিভি: কী লিখবেন, কী বাদ দেবেন

ডেল্টা ডেস্ক

ডেল্টা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৩৭ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৫, ২০২৬

বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আবেদনের প্রস্তুতিতে ‘সিভি’ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি নথি। তবে চাকরির জন্য তৈরি সিভির সাথে উচ্চশিক্ষার সিভির মূল ফারাক হলো—এখানে নিজের কাজের চেয়ে একাডেমিক প্রস্তুতি, গবেষণার অভিজ্ঞতা ও প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতাকে বেশি প্রাধান্য দিতে হয়।

সিভিতে যা লিখবেন:

  • যোগাযোগের তথ্য ও শিক্ষা: সিভির শুরুতে নাম, পেশাদার ই-মেইল, ফোন নম্বর ও ডিগ্রির বিস্তারিত তথ্য (প্রতিষ্ঠানের নাম, পাসের সাল, ফলাফল) দিন। প্রাসঙ্গিক কোনো অভিসন্দর্ভ (Thesis) থাকলে তা যুক্ত করতে পারেন।

  • গবেষণা ও প্রকাশনা: পিএইচডি বা গবেষণাভিত্তিক কোর্সের জন্য গবেষণার অভিজ্ঞতা, প্রকল্প বা গবেষণা সহকারী হিসেবে কাজের বিবরণ দিন। গবেষণাপত্র, কনফারেন্স পেপার বা প্রকাশিত কাজ থাকলে আলাদা সেকশনে উল্লেখ করুন।

  • নির্দিষ্ট দক্ষতা: ‘ভালো নেতৃত্ব’ বা ‘উত্তম যোগাযোগ দক্ষতা’র মতো সাধারণ কথা না লিখে নির্দিষ্ট সফটওয়্যার, তথ্য বিশ্লেষণ (Data Analysis), প্রোগ্রামিং বা গবেষণা পদ্ধতির দক্ষতা সরাসরি উল্লেখ করুন।

  • প্রাসঙ্গিকতা অনুযায়ী সাজানো: আপনার যে কোর্সে আবেদন করছেন (যেমন: পিএইচডি নাকি পেশাভিত্তিক মাস্টার্স), সেটির ওপর ভিত্তি করে গবেষণা কিংবা চাকরির অভিজ্ঞতাকে ক্রমানুসারে আগে-পরে রাখুন।

যা বাদ দেবেন ও খেয়াল রাখবেন:

  • অপ্রাসঙ্গিক তথ্য বর্জন: স্কুলজীবনের পুরনো অর্জন, বিষয়-অসংলগ্ন ছোটখাটো চাকরি বা প্রশিক্ষণ এবং অপ্রাসঙ্গিক স্বেচ্ছাসেবী কাজ বাদ দেওয়াই শ্রেয়।

  • পৃষ্ঠা সীমার বাধ্যবাধকতা: সিভি কত পৃষ্ঠার হবে তা নির্ভর করবে আপনার অভিজ্ঞতার ওপর। তবে বিশ্ববিদ্যালয় নির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা দিলে তা মেনে চলা বাধ্যতামূলক।

চূড়ান্তভাবে জমা দেওয়ার আগে সিভির বানানের ভুল, ডিগ্রির নাম, প্রকাশের সাল ও ই-মেইল ঠিকানা বারবার যাচাই করে নেওয়া উচিত। কারণ এটি কেবল অর্জনের তালিকা নয়, বরং কাঙ্ক্ষিত প্রোগ্রামের জন্য আপনি কতটা প্রস্তুত—তারই প্রতিফলন।