ভূমধ্যসাগরে আরেক ট্র্যাজেডি, লিবিয়ার উপকূলে ১৫ মরদেহ
ডেল্টা ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:৫৭ অপরাহ্ণ, জুন ১৬, ২০২৬
লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত খুমস শহরের উপকূলে অন্তত ১৫ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সমুদ্রের ঢেউয়ে মরদেহগুলো উপকূলে ভেসে আসে।
সোমবার (১৫ জুন) লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জরুরি চিকিৎসা ও সহায়তা কেন্দ্র জানায়, ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১১৮ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত খুমস উপকূলে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে সেগুলো দাফন করা হয়েছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, উদ্ধার কার্যক্রম ও দাফনের পুরো প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে সম্পন্ন করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
২০১১ সালে লিবিয়ায় বিদ্রোহ শুরুর পর দেশটি উত্তর আফ্রিকা থেকে ইউরোপগামী অভিবাসীদের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে। সংঘাত, দারিদ্র্য ও রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে বাঁচতে বিশেষ করে সাব-সাহারা আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের মানুষ লিবিয়া হয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।
তবে এই যাত্রাপথ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। অভিবাসীরা প্রায়ই মরুভূমি পাড়ি দিয়ে কিংবা অনিরাপদ ও অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই নৌকায় ভূমধ্যসাগর অতিক্রমের চেষ্টা করেন। ফলে নিয়মিতভাবে দুর্ঘটনা, নিখোঁজ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মতে, লিবিয়া থেকে ইউরোপমুখী অভিবাসন রুট বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক পথ। মানবপাচারকারী চক্রের দৌরাত্ম্য এবং নিরাপদ অভিবাসনের সীমিত সুযোগের কারণে প্রতিবছর বহু মানুষ এই পথে প্রাণ হারাচ্ছেন।



