‘মোদি স্বৈরাচারী হয়ে উঠেছেন’, অভিযোগ অভিজিত দীপকের

ডেল্টা আন্তর্জাতিক

ডেল্টা আন্তর্জাতিক

প্রকাশিত: ৭:৫৮ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৫, ২০২৬

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের তীব্র সমালোচনা করে একে ‘স্বৈরাচারী’ বলে মন্তব্য করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিত দীপকে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দিল্লি প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

অভিজিত বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদি একজন স্বৈরাচারীতে পরিণত হয়েছেন। কিন্তু তাঁর জরুরি অবস্থা জারি করার মতো সাহস নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা যদি এ ধরনের মানুষদের আটক করতেই চান, তাহলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করুন। আর কতকাল আপনারা মানুষকে বোকা বানিয়ে রাখবেন?’

শুক্রবার প্রতিবাদ কর্মসূচি

যন্তর মন্তরকে প্রতিবাদের স্থান হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ সীমিত করা এবং সিজেপি নেতাদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন অভিজিত দীপকে। এ কর্মসূচিতে অংশ নিতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সিজেপি নেতাদের গ্রেপ্তার নিয়ে বিতর্ক

গত কয়েক দিনে সিজেপির কর্মী, বামপন্থী ছাত্র সংগঠন, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের সদস্যদের বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর পদক্ষেপ এবং আটকের ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

দুই দিন আগে সিজেপির কো-কনভেনর আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস জাতীয় পতাকা নিয়ে যন্তর মন্তরে পৌঁছালে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়।

এ ঘটনা উল্লেখ করে অভিজিত দীপকে প্রশ্ন তোলেন, ‘জাতীয় পতাকা ওড়ানো কবে থেকে অপরাধ হয়ে গেল?’ তাঁর অভিযোগ, ব্রিটিশ আমলের মতোই এখন মোদি ও অমিত শাহের পুলিশ একই ধরনের আচরণ করছে। নিজেদের দেশেই জাতীয় পতাকা ওড়ানোর অনুমতি না পাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গান্ধীর আদর্শ ও সংবিধানের প্রসঙ্গ

অভিজিত দীপকে আরও প্রশ্ন তোলেন, নরেন্দ্র মোদির কাছে জ্ঞানেশ কুমার কী কারণে জাতীয় পতাকার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলেন। তাঁর দাবি, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস জাতীয় পতাকা ওড়ানোয় কর্তৃপক্ষ আপত্তি জানিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এই দেশ গান্ধীর আদর্শ এবং বাবা সাহেবের সংবিধান অনুযায়ী চলবে।’