পাকিস্তান সফরে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান
ডেল্টা আন্তর্জাতিক
প্রকাশিত: ৭:৩০ অপরাহ্ণ, জুন ২৩, ২০২৬
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের আমন্ত্রণে সরকারি সফরে ইসলামাবাদ পৌঁছেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তার সফরসঙ্গী হিসেবে পাকিস্তানে পৌঁছেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও। মঙ্গলবার পৃথক ফ্লাইটে তারা পাকিস্তানে পৌঁছান বলে জানিয়েছে দেশটির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান রাজধানী তেহরান থেকে সরাসরি ইসলামাবাদে পৌঁছান। অন্যদিকে ওমানে কূটনৈতিক কার্যক্রম শেষে পাকিস্তানে আসেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
রাওয়ালপিন্ডির নূর খান বিমানঘাঁটিতে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, উপ-প্রধানমন্ত্রী ইশহাক দার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি, পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোগাদ্দাম।
পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এপিপির তথ্য অনুযায়ী, ইরানের প্রেসিডেন্টের সম্মানে বিমানঘাঁটিতে ২১ বার তোপধ্বনি দেওয়া হয় এবং যুদ্ধবিমান ফ্লাইপাস্টের মাধ্যমে তাকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হয়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনা জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের পাকিস্তানে পৌঁছানোর কয়েক ঘণ্টা আগেই পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ও প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানাতেও বিমানঘাঁটিতে উপস্থিত ছিলেন তিনি।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, সফরকালে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। এ সময় দুই দেশের সম্পর্কের সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি বাণিজ্য, জ্বালানি, সীমান্ত নিরাপত্তা, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
এছাড়া সিনেট চেয়ারম্যান ইউসুফ রাজা গিলানি, জাতীয় পরিষদের স্পিকার আয়াজ সাদিক এবং উপ-প্রধানমন্ত্রী ইশহাক দারের সঙ্গেও তার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে এটি মাসুদ পেজেশকিয়ানের দ্বিতীয় পাকিস্তান সফর। এই সফর দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
সূত্র: ডন।



