রাষ্ট্রায়ত্ত বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ সরকারের, টাঙ্গাইল কটন মিলও চালু হবে: প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২:১৪ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১, ২০২৬

সরকার দেশের সব রাষ্ট্রায়ত্ত বন্ধ কারখানা পর্যায়ক্রমে চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল কটন মিলও দ্রুত চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার সকালে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ২৯ বছর ধরে বন্ধ থাকা টাঙ্গাইল কটন মিল পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মির্জাপুরে বেশ কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী শিল্প ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যের সহযোগিতায় এসব প্রতিষ্ঠান আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি জানান, শিল্প খাতে বিদ্যুতের স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে শিল্পকারখানা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নির্বিঘ্নে পরিচালিত হতে পারে।

পূর্ববর্তী সরকারের সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ খাতে অতীতে অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে কিছুটা সময় লাগবে। তিনি এ সময় দেশবাসীর কাছে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।

তিনি আরও জানান, তাঁতশিল্পের উন্নয়নে টাঙ্গাইলে তাঁত বোর্ডের উদ্যোগে একটি বেসিক সেন্টার ও ফ্যাশন ডিজাইন ইনস্টিটিউট উদ্বোধন করা হবে। পাশাপাশি তাঁতশিল্পীদের প্রশিক্ষণ ও ঋণসুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) সচিব ও পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্রকল্প পরিচালক কাজী ফিরোজ হোসাইন জানান, প্রায় ২৫ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত টাঙ্গাইল কটন মিল স্বাধীনতার আগে চালু হয়। ১৯৭২ সালে এটি রাষ্ট্রীয় মালিকানায় নেওয়া হয়। ১৯৮২ সাল পর্যন্ত বিটিএমসির ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হওয়ার পর বিভিন্ন পদ্ধতিতে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত চালু ছিল। এরপর থেকে কারখানাটি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

পরিদর্শনকালে টাঙ্গাইল-৭ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমেদ, বিটিএমসির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসানসহ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।