টিউশন ফি ও জীবনযাত্রার খরচ বহন করবে মালয়েশিয়া সরকার

ডেল্টা আন্তর্জাতিক

ডেল্টা আন্তর্জাতিক

প্রকাশিত: ১২:৩৭ অপরাহ্ণ, জুন ৮, ২০২৬

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ অর্থায়িত সরকারি বৃত্তির ঘোষণা দিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। ‘মালয়েশিয়ান টেকনিক্যাল কো-অপারেশন প্রোগ্রাম (এমটিসিপি) স্কলারশিপ ২০২৬-২৭’-এর আওতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশিরাও দেশটির স্বনামধন্য সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন।

সম্প্রতি এ বৃত্তির জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা আগামী ১২ জুন পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

এটি একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থায়িত বৃত্তি। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ টিউশন ফি বহনের পাশাপাশি মাসিক জীবনযাত্রার ভাতা দেওয়া হবে। এছাড়া নিজ দেশের নিকটতম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মালয়েশিয়ায় যাওয়া ও পড়াশোনা শেষে ফেরার জন্য একবারের ইকোনমি ক্লাস বিমান ভাড়াও বহন করবে মালয়েশিয়া সরকার।

বৃত্তির আওতায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), অর্থনীতি ও বাণিজ্য, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (স্টেম), খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি প্রযুক্তি, ইসলামিক ফিন্যান্স, আইন, লোকপ্রশাসন ও নীতি গবেষণা, পরিবেশ ও টেকসই বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ রয়েছে।

আবেদনের জন্য পূরণকৃত আবেদনপত্র, ন্যূনতম ছয় মাস মেয়াদসম্পন্ন পাসপোর্টের সত্যায়িত কপি, স্নাতক পর্যায়ের একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেডিং সিস্টেমের সনদ, সুপারিশপত্র, এনডোর্সমেন্ট ফর্ম, জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র জমা দিতে হবে। মালয়েশিয়ার কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার থাকলে তা সংযুক্ত করা যাবে।

আবেদনকারীর বয়স সর্বোচ্চ ৪৫ বছর হতে হবে। স্নাতক বা সমমানের পরীক্ষায় ভালো ফলাফল থাকতে হবে এবং সাধারণত ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.৫০ প্রত্যাশা করা হয়। ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার প্রমাণ হিসেবে আইইএলটিএস-এ ন্যূনতম ৬.০ বা সমমানের টোফেল স্কোর গ্রহণযোগ্য। তবে ইংরেজি মাধ্যমে ডিগ্রি সম্পন্ন করার সনদ থাকলেও আবেদন করা যাবে।

বৃত্তির জন্য তারা আবেদন করতে পারবেন, যারা মালয়েশিয়ার কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অফার লেটার পেয়েছেন কিন্তু এখনো পড়াশোনা শুরু করেননি অথবা সর্বোচ্চ এক সেমিস্টার সম্পন্ন করেছেন।

শিক্ষার্থীদের জন্য এটি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা, গবেষণা এবং বৈশ্বিক পরিবেশে নিজেদের দক্ষতা বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।