আমেরিকার স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি
বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে চায় আমেরিকা
ডেল্টা আন্তর্জাতিক
প্রকাশিত: ৫:০৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ৪, ২০২৬
বাংলাদেশ ও আমেরিকার জনগণের মধ্যে মানুষে মানুষে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় আমেরিকা বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘আমেরিকা সপ্তাহ’ কর্মসূচির মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ ও বোঝাপড়া আরও গভীর করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
শনিবার সকালে রাজধানীর গুলশান-২-এর বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ পার্কে মার্কিন দূতাবাসের উদ্যোগে আয়োজিত ‘আমেরিকান ফেয়ার ইন দ্য পার্ক’ অনুষ্ঠান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন আয়োজনের সহযোগী সংগঠন গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছরের ইতিহাস শুধু দেশটির নিজস্ব ইতিহাস নয়, এটি বিশ্বের বহু মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামও সেই অনুপ্রেরণার ধারার অংশ।
তিনি বলেন, প্রায় আড়াইশ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ৫৬ জন প্রতিষ্ঠাতা স্বাধীনতা ও আত্মশাসনের জন্য সবকিছু ঝুঁকির মুখে ফেলেছিলেন। সেই আত্মত্যাগ, ইতিহাস ও মূল্যবোধ এখন বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে আরও বেশি ভাগ করে নিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, “আমরা চাই আমাদের ইতিহাস, আদর্শ ও মূল্যবোধ বাংলাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষ ও সংস্কৃতি সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে চাই।”
অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশটির ইতিহাস, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বিভিন্ন প্রদর্শনী ও তথ্যভিত্তিক স্টলের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। দর্শনার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ইতিহাস, গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা এবং গণতান্ত্রিক বিকাশ সম্পর্কে জানার সুযোগ পান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ পরিবেশনা করে ২৫তম ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের (২৫ আইডি) ইউএস আর্মি ব্যান্ড।
গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত বলেন, গুলশান এলাকায় বিভিন্ন দেশের দূতাবাস রয়েছে। তাদের সঙ্গে যৌথ আয়োজনের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে কাজ করতে চায় গুলশান সোসাইটি।



