সৌদি আরবের রপ্তানিযোগ্য তেলের মজুদ দ্রুত কমছে
ডেল্টা আর্ন্তজাতিক
প্রকাশিত: ৮:২১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
সৌদি আরবের রপ্তানির জন্য রাখা তেলের মজুদ দ্রুত কমে আসছে। আগামী ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন চালু করা না গেলে তেল রপ্তানি বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে পারে।
সম্প্রতি ইরাক থেকে ছোড়া কয়েকটি ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের এই গুরুত্বপূর্ণ পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর নিরাপত্তার কারণে সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় সাময়িকভাবে পাইপলাইনটি বন্ধ করে দেয়।
শিল্প খাতের কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, পাইপলাইন মেরামতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। তবে কেউ কেউ মনে করছেন, দ্রুত মেরামত করে সীমিত আকারে তেল পরিবহন আবার শুরু করা সম্ভব হতে পারে।
এ বিষয়ে সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন সৌদির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল লোহিত সাগরের উপকূলীয় ইয়ানবু বন্দরে পাঠানো হয়। এটি বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ৪ শতাংশের সমান।
হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনার সময় এই পাইপলাইন সৌদিকে বিকল্প পথে তেল রপ্তানি করতে সাহায্য করেছে।
এদিকে ইয়েমেনের হুথি বাহিনীর তৎপরতার কারণে সৌদির তেল পরিবহন ব্যবস্থার ওপর চাপ আরও বেড়েছে। সম্প্রতি তারা লোহিত সাগরের প্রবেশপথের কাছে একটি দ্বীপ দখল করেছে বলে জানা গেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের আগে প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ হতো। বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহনের পরিমাণ কমে প্রতিদিন প্রায় ৬০ থেকে ৯০ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে।
সৌদি আরব জানিয়েছে, সংঘাতের আগে ফেব্রুয়ারিতে দেশটির দৈনিক তেল উৎপাদন ছিল প্রায় ১ কোটি ৯ লাখ ব্যারেল। আগস্টে তা কমে প্রায় ৬২ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে।



