ব্রিকস সম্মেলনের পর বিশ্বনেতাদের অসুস্থতার খবরে যা বলল ভারত

ডেল্টা ডেস্ক

ডেল্টা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৩৬ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬

ভারতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পর বেশ কয়েকজন বিশ্বনেতা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে নয়াদিল্লি।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব দাবি নাকচ করে খবরগুলোকে সম্পূর্ণ ‘ভুয়া’ বলে আখ্যায়িত করেছে। পাশাপাশি এ ধরনের ‘বিদ্বেষপূর্ণ’ তথ্যের বিষয়ে সতর্ক করেছে দেশটি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য যাচাই ইউনিট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছে, ‘ভুয়া খবরের সতর্কতা! সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের বিদ্বেষপূর্ণ পোস্টের বিষয়ে আমরা সতর্ক করছি!’

বিতর্কিত এসব পোস্টের তালিকায় বিশ্বের অন্যতম বড় পূর্বাভাসভিত্তিক বাজার প্ল্যাটফর্ম ‘পলিমার্কেট’-এর একটি পোস্টও রয়েছে। জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়েচে ভেলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়ার পরই মূলত এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।

রামাফোসার কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, অসুস্থতার কারণে চিকিৎসকের পরামর্শে বিশ্রামে রয়েছেন তিনি। ব্রিকস সম্মেলন থেকে দেশে ফেরার পর আপাতত সব ধরনের জনসমক্ষের কর্মসূচি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট।

তাঁর অসুস্থতার খবরকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়।

এর ধারাবাহিকতায় যাচাইবিহীন কিছু পোস্টে দাবি করা হয়, চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং অসুস্থ বোধ করায় এবং জ্ঞান হারিয়ে চিকিৎসার জন্য সম্মেলন শেষ হওয়ার আগেই সম্মেলনস্থল ত্যাগ করেছিলেন। ‘চায়না ডেমোক্রেসি পার্টি’র চেয়ারম্যান ওয়ানজুন সিয়ে প্রথম এই দাবি করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে চীন বা ভারত—কোনো দেশের সরকার কিংবা নির্ভরযোগ্য কোনো কর্মকর্তা শি চিনপিংয়ের অসুস্থতার খবর নিশ্চিত করেননি।

বেইজিং ও নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে সফলভাবে অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকও করেন তিনি।

তবে সম্মেলনের প্রথম দিনে নরেন্দ্র মোদির দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেননি শি চিনপিং।