শিক্ষা ও বিনিয়োগে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

ডেল্টা ডেস্ক

ডেল্টা ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮:৪৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

বাংলাদেশের শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ ও কমনওয়েলথ শিক্ষাবৃত্তির সংখ্যা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

১৪ সেপ্টেম্বর বঙ্গভবনে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসের পক্ষ থেকে পাঠানো অভিনন্দনপত্র রাষ্ট্রপতির হাতে তুলে দেন হাইকমিশনার। অভিনন্দন ও শুভেচ্ছার জন্য রাষ্ট্রপতি রাজার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কমনওয়েলথ শিক্ষাবৃত্তি বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। শিক্ষা ও প্রযুক্তি-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়াতেও যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।

দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তিনি। রাষ্ট্রপতি বলেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি কমনওয়েলথভুক্ত দেশ হিসেবে অভিন্ন স্বার্থে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য একসঙ্গে কাজ করছে।

সাক্ষাতে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিষয়েও কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আবার গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরেছে। এই ধারাকে আরও শক্তিশালী করতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও জনপ্রতিনিধিদের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

এ ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের ওয়েস্টমিনস্টার পদ্ধতির অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের আহ্বান জানান তিনি।

অন্যদিকে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক জানান, তৈরি পোশাকসহ বাংলাদেশের প্রায় সব পণ্য স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পরও আরও তিন বছর যুক্তরাজ্যের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে।

রাষ্ট্রপতি এই সুবিধাকে দুই দেশের বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণের বড় সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি শিক্ষা, প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও বাণিজ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।