আরও কঠোর হলো পর্তুগালে অভিবাসন আইন অনলাইন ডেস্ক

ডেল্টা ডেস্ক

ডেল্টা ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:০৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

পর্তুগালে অভিবাসন আইন আরও কঠোর হয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন আইন নং ৬২/২০২৬ কার্যকর হওয়ার পর বিদেশিদের প্রবেশ, অবস্থান ও রেসিডেন্স পারমিটের নিয়মে বড় পরিবর্তন এসেছে। খবর দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য পর্তুগাল নিউজের।

নতুন আইন বিদেশিদের বৈধতা পাওয়ার সুযোগ সীমিত করেছে। আগে অনেকে ভিসা ছাড়া পর্তুগালে প্রবেশ করে পরে বৈধতার আবেদন করতে পারতেন। এখন সেই সুযোগ আর থাকছে না। নতুন আইনে বিদেশিদের প্রবেশ, অবস্থান, বহিষ্কার, স্ক্রিনিং, সীমান্ত প্রক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক সুরক্ষার নিয়মেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

নতুন নিয়মে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বা লেভেল-৪ কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা রেসিডেন্স পারমিটের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে বৈধ রেসিডেন্স ভিসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি এবং জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা বা স্বাস্থ্যবিমার আওতায় থাকা বাধ্যতামূলক।

২০২৪ সালে পর্তুগাল ভিসা ছাড়া প্রবেশ করে পরে বৈধতার আবেদন করার ব্যবস্থা বন্ধ করেছিল। নতুন আইন সেই নীতিকে আরও কঠোর করেছে।

আইন নং ৬২/২০২৬ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দুটি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছে। এগুলো আন্তর্জাতিক সুরক্ষা, অভ্যর্থনা এবং রেসিডেন্স ও কাজের জন্য একক অনুমোদনের সঙ্গে সম্পর্কিত। ফলে পর্তুগালের অভিবাসন আইন ইউরোপীয় ইউনিয়নের মানদণ্ডের সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে।

রেসিডেন্স পারমিটের আবেদন ৯০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে জটিলতার কারণে আরও ৩০ দিন সময় বাড়ানো যেতে পারে। এতে আবেদন নিষ্পত্তির জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারিত হলো।

পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি আন্তোনিও জোসে সেগুরো আইনটি অনুমোদন করেছেন। সরকার বলছে, নতুন নিয়ম অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে বৈধ শিক্ষার্থী ও দক্ষ কর্মীদের জন্য সুযোগ রাখা হয়েছে।

নতুন আইন কার্যকর হওয়ার ফলে ভিসা ছাড়া পর্তুগালে প্রবেশ করে পরে বৈধতা পাওয়ার পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। শিক্ষার্থী ও দক্ষ কর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট সুযোগ থাকলেও সাধারণ অভিবাসীদের জন্য বৈধ হওয়ার প্রক্রিয়া আগের তুলনায় কঠিন হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো আশঙ্কা করছে, এর ফলে কিছু পরিবার জটিল পরিস্থিতির মুখে পড়তে পারে।