দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি, ছুটি পাবেন না যাঁরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২:১১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) থেকে শুরু হচ্ছে টানা পাঁচ দিনের ছুটি। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত এ ছুটি উপভোগ করবেন। পূজার ছুটির সাথে ২৩ ও ২৪ অক্টোবরের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় এ সুযোগ তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে এবং বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি থাকবে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করায় টানা তিন দিনের পূজার ছুটির সাথে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হয়েছে। ছুটির সময়সূচি সমন্বয়ের অংশ হিসেবে এর আগে শনিবার (১৭ অক্টোবর) সরকারি অফিস খোলা রাখা হয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোও ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তবে সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকার কিছু ব্যাংক শাখা আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে সীমিত পরিসরে সেবা দেবে। <Cite refs={[“turn755312search1″,”turn755312search6”]}/>

ছুটি পাবেন না যাঁরা

সরকারি ছুটি থাকলেও জরুরি সেবা ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠান এবং কর্মীদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে—

  • জরুরি পরিষেবা: বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট এবং ডাকসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা।
  • হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা: হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসাসেবা এবং এসব সেবার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসক ও কর্মীরা। ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহনে নিয়োজিত ব্যক্তিরাও দায়িত্ব পালন করবেন।
  • বন্দর ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম: বন্দরগুলোর জরুরি কার্যক্রম এবং আমদানি-রপ্তানিসংশ্লিষ্ট নির্ধারিত সেবা।
  • জরুরি দাপ্তরিক কার্যক্রম: জনস্বার্থে জরুরি দায়িত্ব পালনের জন্য নির্ধারিত দপ্তর ও কর্মীরা।
  • বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কলকারখানা: এসব প্রতিষ্ঠানের ছুটি ও কার্যক্রম শ্রম আইন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।

ব্যাংক ও আদালতের কার্যক্রম

ছুটির সময়ে ব্যাংকের সাধারণ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে বন্দর এলাকার নির্দিষ্ট শাখা সীমিত পরিসরে সেবা দিতে পারে। আদালতের কার্যক্রম ও জরুরি শুনানির বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা ও কলকারখানার ক্ষেত্রে সরকারি ছুটির বিধান সবার জন্য একইভাবে প্রযোজ্য নাও হতে পারে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা দেখে কর্মীদের ছুটির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া উচিত।