বিশ্বকাপ চলাকালে আমেরিকার নিউ জার্সিতে ৭১ জন গ্রেপ্তার

ডেল্টা ডেস্ক

ডেল্টা ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫:৫৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৪, ২০২৬

আমেরিকায় আয়োজিত বিশ্বকাপকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে নিউ জার্সিতে পরিচালিত মানব পাচারবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৭১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৯৭ জন সম্ভাব্য মানব পাচারের শিকারকে উদ্ধার করা হয়েছে।

নিউ জার্সির অ্যাটর্নি জেনারেল জেনিফার ড্যাভেনপোর্ট ২০ জুলাই এ তথ্য জানান। তাঁর মতে, স্থানীয়, কাউন্টি, অঙ্গরাজ্য ও ফেডারেল পর্যায়ের ৪৪টি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যৌথভাবে এ অভিযানে অংশ নেয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি নিউ জার্সির ইতিহাসে মানব পাচারবিরোধী সবচেয়ে বড় অভিযান। তবে গত পাঁচ বছরে আমেরিকার এই অঙ্গরাজ্যে মানব পাচার চক্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে একাধিক বড় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

২০২৬ সালের ১৫ মে সেন্ট্রাল ও সাউথ জার্সিতে পরিচালিত অভিযানে মানব পাচার চক্র পরিচালনার অভিযোগে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্তরা অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিয়ে নারীদের জোরপূর্বক যৌনকাজে বাধ্য করত এবং তাদের দিয়ে মাদক সরবরাহও করানো হতো। ওই অভিযানে তিনটি বাড়ি ও তিনটি হোটেল থেকে ১৫ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি একটি হোটেল থেকে নগদ অর্থ ও মাদক জব্দ করা হয়।

এর আগে ২০২৫ সালের ১ জুলাই ট্রেন্টন ও ক্যামডেনে পাঁচটি স্থানে পতিতালয় পরিচালনার অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তে জানা যায়, সেখানে মাত্র ৫০ ডলারে ১৫ মিনিটের যৌনসেবা বিক্রি করা হতো। ওই অভিযানেও ১৫ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর উত্তর ও দক্ষিণ জার্সিতে পরিচালিত পৃথক অভিযানে দুটি মানব পাচার চক্রের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। তদন্তে উঠে আসে, এক চক্র কিশোরীদের নির্যাতন করে যৌনকাজে বাধ্য করত, অন্য চক্র নিয়মিত নতুন নারীদের এনে যৌন শোষণের কাজে ব্যবহার করত।

এরও আগে ২০২২ সালের ২৯ আগস্ট মার্সার ও মনমাউথ কাউন্টিতে মানব পাচার ও পতিতালয় পরিচালনার অভিযোগে আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। সে সময় তিনজন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়, যাদের মধ্যে একজন ছিল ১৭ বছর বয়সী কিশোরী