অবৈধ পথে ইতালি গেলে কী হবে?
ডেল্টা ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:১০ অপরাহ্ণ, জুন ১৬, ২০২৬
ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন অভিবাসন ও আশ্রয় আইন কার্যকর হওয়ার পর অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইতালি। লিবিয়া বা অন্যান্য ট্রানজিট দেশ হয়ে অবৈধভাবে ইতালিতে প্রবেশের চেষ্টা করলে সীমান্তেই আটক করে দ্রুত ফেরত পাঠানো হতে পারে বলে জানিয়েছে ঢাকায় ইতালির দূতাবাস।
১৫ জুন প্রকাশিত এক বার্তায় দূতাবাস জানায়, নতুন অভিবাসন বিধান কার্যকর হওয়ার ফলে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করা ব্যক্তিদের ইতালির ভূখণ্ডে প্রবেশের অনুমতি না-ও দেওয়া হতে পারে। তাদের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দূতাবাস আরও জানায়, মানব পাচারকারী চক্রের মিথ্যা প্রতিশ্রুতিতে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্ক থাকতে হবে। অর্থের বিনিময়ে অনিয়মিত পথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা শুধু ঝুঁকিপূর্ণই নয়, এটি মানব পাচারকারী চক্রকে উৎসাহিত করে এবং আইনি জটিলতার কারণ হতে পারে।
বার্তায় উল্লেখ করা হয়, ইতালিতে বৈধভাবে অভিবাসনের বিভিন্ন সুযোগ রয়েছে। কর্মসংস্থান, পারিবারিক পুনর্মিলন এবং শিক্ষার্থী ভিসার মাধ্যমে প্রতিবছর বহু বিদেশি নাগরিক ইতালিতে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছেন। এসব সুযোগ কেবল বৈধ ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আবেদনকারীদের জন্য উন্মুক্ত।
দূতাবাস আগ্রহীদের প্রতি বৈধ উপায়ে আবেদন করার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, নিরাপদ ও নিয়মসম্মত অভিবাসনই দীর্ঘমেয়াদে সফলতার পথ।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন অভিবাসন ও আশ্রয় চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর সদস্য রাষ্ট্রগুলো সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর হচ্ছে। বিশেষ করে ভূমধ্যসাগরীয় রুট ব্যবহার করে অনিয়মিত অভিবাসন ঠেকাতে ইতালি নজরদারি ও প্রত্যাবাসন কার্যক্রম জোরদার করেছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা লিবিয়া রুট ব্যবহার করে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করছেন। তবে এ পথে যাত্রা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ; অনেক ক্ষেত্রে মানব পাচার, আটকে পড়া কিংবা প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে।



